ভারতের ইতিসাস ।
শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় শুধু যে বাংলার হিন্দুদের আবাসভুমি পশ্চিম বঙ্গের জন্মদাতা তাই নন বরং স্বাধীনতার পর ও তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্থানের হিন্দুদের পুনর্বাসনের দাবিতে আজীবন সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন । হিন্দুদের পুনর্বাসনের দাবিতে অনড় থেকে ১৯৫০ সালে জও হরলাল নেহেরুর মন্ত্রী সভা থেকে পদত্যাগ করে । শ্যামাপ্রসাদের আশঙ্কা ছিল দেশে সংখ্যা গরিষ্ঠ হিন্দুদের জীবন ও সম্পত্তি নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে । এই আশঙ্কা এসেছিল তার এদেশের হিন্দু জনগোষ্ঠী র প্রতি মুসলিম লীগের ঘৃণা র মনোভাব প্রত্যক্ষ করেন । এই আশঙ্কা বাবা সাহেব আম্বেদক রের ছিল । এই আশঙ্কা থেকেই শ্যামাপ্রসাদ দাবি তুলেছিলেন দেশ ভাগের সাথে সংখ্যা লঘু বিনিময় করা হোক । বলে ছিলেন সংখ্যা লঘু বিনিময় হলে সাম্প্রদায়িক হাঙ্গামা কমবে । সেদিন মহাত্মা গান্ধী আর জও হরলাল নেহেরু সেদিন রাজি হননি । স্বাধীনতার সময় ভারত শর্ত হিসাবে দুই দেশের ধর্মীয় সংখ্যা লঘু দের জীবন ও সম্পত্তির নিরাপত্তা দেওয়া হবে ও তাদের প্রতি সমান আচরণ করা হবে । এখানে পাকিস্থানের ব্যবহার বিপরীত । স্বাধীনতার পরে পাকিস্থানে হিন্দু দের উপর নির্যাতন নেমে আসে । পাকিস্থান এ বিষয়ে আন্তরিক নন ।
এবিষয়ে একটি স্মারকলিপি তৎকালীন পাকিস্থানের প্রধান মন্ত্রী লিয়া কত আলিকে দিয়েছিলেন তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্থানের আইন সভার বিরোধী দলের নেতৃবৃন্দ বসন্ত কুমার দাস ,গ নেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য মনোরঞ্জন ধর মুনিন্দ্রচন্দ্র ভট্টাচার্য প্রভৃতি । ১৯৫০ সালে পাকিস্থান রেডিও থেকে পরি কল্পিত ভাবে প্রচার করা হল পশ্চিম বঙ্গে আর ভারতে মুসলমান দের উপর অত্যাচার করা হচ্ছে । এই ঘটনার পর ঢাকায় শুরু হয় হিন্দু বাড়িতে অগ্নি সংযোগ , লুটপাট । হিন্দু মহিলাদের অবাধে ধর্ষণ ,দেশের বিভিন্ন হিন্দু নিধনের মহাযজ্ঞ । এই ভয়াবহ হিন্দু নিধনের প্রতিবাদে যিনি পাকিস্থানের দাবি কে সমর্থন তপশীল নেতা যোগেন্দ্র মণ্ডল যার প্রধান শ্লোগান দলিত মুসলিম ঐ ক্য তত্ত্ব এনে পাকিস্থানের মন্ত্রী হয়েছিলেন । তিনি পাকিস্থান মন্ত্রী সভা থেকে পদত্যাগ যে চিঠি লিখেছিলেন পাকিস্থানে হিন্দুদের সবদিক থেকে বঞ্চিত ক্রে তাদের রাষ্ট্র হীন নাগরিকে পরিণত করা হয়েছে ।
No comments:
Post a Comment