Thursday, December 17, 2015
Friday, December 11, 2015
খাদ্য আন্দোলন
পশ্চিম বঙ্গে খাদ্য আন্দোলন
---------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------- ১৯৬৫ সালে পাক ভারত যুদ্ধে শেষ হতে না হতেই দেশ জুড়ে জ্বালানী তেলের সংকট দেখা দিয়েছিল । পশ্চিম বঙ্গে দেখা দিল কেরসিন তেলের তীব্র সংকটের সাথে খাদ্য সংকট । রাজ্যে কংগ্রেসি মন্ত্রী সভা , মুখ্যমন্ত্রী প্রফুল্ল কুমার সেন । ১৯৬৬ সালে ১৬ই ফেব্রুয়ারি বসিরহা টে স্বরুপ নগরে কেরোসিন তেলের লাইনে পুলিশের গুলিতে ছাত্র নুরুল ইসলাম নিহত হল । এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ন্তুন গড়ে ওঠা কমিউনিস্ট পার্টী { মার্ক্সবাদী } এর ছাত্র ফ্রন্ট সময়োচিত নেতৃত্বে এগিয়ে আসে । বিশ্ব বিদ্যালয়, কলেজ , স্কুল সর্ব স্তরের ছাত্র সমাজ পাল্টা ছাত্র ফেডারেশনের ব্যানারে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে এগিয়ে এলো । পার্টীর গোপন কেন্দ্র থেকে সহযোগিতায় ছাত্র ফ্রন্টের গোপন ও প্রকাশ্য নেতৃত্বে মিলে জঙ্গি খাদ্য সংগঠিত করার রণকৌশল ঠিক করে । তরুণ ছাত্র যুব কর্মীদের মধ্যে দারুন উৎসাহ । কলকাতার সীমানা ছেড়ে ২৪ পরগনা , হাওড়া , হুগলী , নদীয়া সহ উত্তর বঙ্গে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে । ন্তুন গড়া কমিউনিস্ট পার্টির ছাত্র ফ্রন্টের উপর পুলিশি আক্রমণ তীব্র করা হয় । যেসব ছাত্র নেতা বাইরে ছিল তাদের একে একে জেলে আটক ক্রা হল । ছাত্র ফ্রন্টের নেতাদের গ্রেপ্তারের খবর গোপন নেতৃত্বের কাছে আসতে থাকে । যারা গ্রেপ্তার হলেন তাদের মধ্যে শৈবাল মিত্র ,সুভাষ চক্রবর্তী , শ্যামল চক্রবর্তী অনিল বিশ্বাস আজিজুল হক প্রমুখ । এই আন্দোলন শুধু আর ছাত্রদের থাকল না ।
সর্ব স্তরের মানুষ এই আন্দোলনের সমর্থনে এগিয়ে এলো । হরতাল ,ধর্মঘট ,অবরোধ ,ঘেরাও ,প্রভৃতি কার্যক্রমের মাধ্যমে খাদ্য আন্দোলনকে উন্নত করা হল এক সংগ্রামী গণআন্দোলনে । কো ন্ন গড় ,চন্দন নগর নবদ্বীপ কৃষ্ণনগরে এবং কলকাতার রাস্তায় সশস্ত্র পুলিশের আক্রমণ মোকাবিলা করে ছাত্র যুব সমাজের সাথে ঐ ক্য বদ্ধ দাড়িয়ে ছিল সাধারন মানুষ । ব্যারিকেড তৈরি সশস্ত্র পুলিশের মুখোমুখি লড়াই । কৃষ্ণনগরে পুলিশের গুলি বৃষ্টির মধ্যে প্রকাশ্য রাজপথে ছাত্র মিছিল এগিয়ে চলে ।
আনন্দ হাইত পুলিশের গুলিতে শহিদের মৃত্যু বরন করল । মিছিলের অগ্রবর্তী ছাত্ররা গায়ের জামা খুলে বুক চাপরাতে চাপরাতে সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর দিকে এগিয়ে গেল । চিৎকার করে ছাত্ররা বলতে লাগল "কত গুলি আছে তোমাদের গুলি করে আমাদের সবাইকে মার " । সংগ্রামী ছাত্র জনতার এই অকুতোভয় সাহসে পুলিশ বাহিনী স্তব্ধ ,তাদের উদ্ধত রাইফেল অবনত । তীব্র আক্রোশ ও রোষের মুখে পুলিশ পিছু হটে । উত্তাল জনতার প্রতিরোধে পুলিশ যায় ব্যারাকে । গন রোষে সেদিন বহু সরকারি সম্পত্তি ভস্মীভূত হয়েছিল ।
এখানে পথ সম্পর্কে জীবনে শেষ প্রান্তে মুল্যায়ন করেছি যে প্রসঙ্গ পরে আলোচনা করব ।
লাগাতার দু-তিন মাস ব্যাপি আন্দোলনের ফলে পশ্চিম বঙ্গে তাদের নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে গিয়ে ছিল । কমিউনিস্ট নেতৃত্বে এই আন্দোলনের মধ্যদিয়ে বন্দী মুক্তি দাবি জুড়ে দিয়ে ছিল ।
পশ্চিম বঙ্গে ১৯৬৬ সালে খাদ্য আন্দোলন সংগ্রামী গণআন্দোলনের ইতিহাসে একটি সংগ্রামী ইতিহাস এর উপর আলাদা ইতিহাস রচনা হতে পারে ।।
---------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------- ১৯৬৫ সালে পাক ভারত যুদ্ধে শেষ হতে না হতেই দেশ জুড়ে জ্বালানী তেলের সংকট দেখা দিয়েছিল । পশ্চিম বঙ্গে দেখা দিল কেরসিন তেলের তীব্র সংকটের সাথে খাদ্য সংকট । রাজ্যে কংগ্রেসি মন্ত্রী সভা , মুখ্যমন্ত্রী প্রফুল্ল কুমার সেন । ১৯৬৬ সালে ১৬ই ফেব্রুয়ারি বসিরহা টে স্বরুপ নগরে কেরোসিন তেলের লাইনে পুলিশের গুলিতে ছাত্র নুরুল ইসলাম নিহত হল । এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ন্তুন গড়ে ওঠা কমিউনিস্ট পার্টী { মার্ক্সবাদী } এর ছাত্র ফ্রন্ট সময়োচিত নেতৃত্বে এগিয়ে আসে । বিশ্ব বিদ্যালয়, কলেজ , স্কুল সর্ব স্তরের ছাত্র সমাজ পাল্টা ছাত্র ফেডারেশনের ব্যানারে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে এগিয়ে এলো । পার্টীর গোপন কেন্দ্র থেকে সহযোগিতায় ছাত্র ফ্রন্টের গোপন ও প্রকাশ্য নেতৃত্বে মিলে জঙ্গি খাদ্য সংগঠিত করার রণকৌশল ঠিক করে । তরুণ ছাত্র যুব কর্মীদের মধ্যে দারুন উৎসাহ । কলকাতার সীমানা ছেড়ে ২৪ পরগনা , হাওড়া , হুগলী , নদীয়া সহ উত্তর বঙ্গে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে । ন্তুন গড়া কমিউনিস্ট পার্টির ছাত্র ফ্রন্টের উপর পুলিশি আক্রমণ তীব্র করা হয় । যেসব ছাত্র নেতা বাইরে ছিল তাদের একে একে জেলে আটক ক্রা হল । ছাত্র ফ্রন্টের নেতাদের গ্রেপ্তারের খবর গোপন নেতৃত্বের কাছে আসতে থাকে । যারা গ্রেপ্তার হলেন তাদের মধ্যে শৈবাল মিত্র ,সুভাষ চক্রবর্তী , শ্যামল চক্রবর্তী অনিল বিশ্বাস আজিজুল হক প্রমুখ । এই আন্দোলন শুধু আর ছাত্রদের থাকল না ।
সর্ব স্তরের মানুষ এই আন্দোলনের সমর্থনে এগিয়ে এলো । হরতাল ,ধর্মঘট ,অবরোধ ,ঘেরাও ,প্রভৃতি কার্যক্রমের মাধ্যমে খাদ্য আন্দোলনকে উন্নত করা হল এক সংগ্রামী গণআন্দোলনে । কো ন্ন গড় ,চন্দন নগর নবদ্বীপ কৃষ্ণনগরে এবং কলকাতার রাস্তায় সশস্ত্র পুলিশের আক্রমণ মোকাবিলা করে ছাত্র যুব সমাজের সাথে ঐ ক্য বদ্ধ দাড়িয়ে ছিল সাধারন মানুষ । ব্যারিকেড তৈরি সশস্ত্র পুলিশের মুখোমুখি লড়াই । কৃষ্ণনগরে পুলিশের গুলি বৃষ্টির মধ্যে প্রকাশ্য রাজপথে ছাত্র মিছিল এগিয়ে চলে ।
আনন্দ হাইত পুলিশের গুলিতে শহিদের মৃত্যু বরন করল । মিছিলের অগ্রবর্তী ছাত্ররা গায়ের জামা খুলে বুক চাপরাতে চাপরাতে সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর দিকে এগিয়ে গেল । চিৎকার করে ছাত্ররা বলতে লাগল "কত গুলি আছে তোমাদের গুলি করে আমাদের সবাইকে মার " । সংগ্রামী ছাত্র জনতার এই অকুতোভয় সাহসে পুলিশ বাহিনী স্তব্ধ ,তাদের উদ্ধত রাইফেল অবনত । তীব্র আক্রোশ ও রোষের মুখে পুলিশ পিছু হটে । উত্তাল জনতার প্রতিরোধে পুলিশ যায় ব্যারাকে । গন রোষে সেদিন বহু সরকারি সম্পত্তি ভস্মীভূত হয়েছিল ।
এখানে পথ সম্পর্কে জীবনে শেষ প্রান্তে মুল্যায়ন করেছি যে প্রসঙ্গ পরে আলোচনা করব ।
লাগাতার দু-তিন মাস ব্যাপি আন্দোলনের ফলে পশ্চিম বঙ্গে তাদের নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে গিয়ে ছিল । কমিউনিস্ট নেতৃত্বে এই আন্দোলনের মধ্যদিয়ে বন্দী মুক্তি দাবি জুড়ে দিয়ে ছিল ।
পশ্চিম বঙ্গে ১৯৬৬ সালে খাদ্য আন্দোলন সংগ্রামী গণআন্দোলনের ইতিহাসে একটি সংগ্রামী ইতিহাস এর উপর আলাদা ইতিহাস রচনা হতে পারে ।।
Thursday, December 10, 2015
পাকিস্থান সাম্প্রতিক রাজনিতির সৃষ্টি
ভারতের ইতিসাস ।
শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় শুধু যে বাংলার হিন্দুদের আবাসভুমি পশ্চিম বঙ্গের জন্মদাতা তাই নন বরং স্বাধীনতার পর ও তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্থানের হিন্দুদের পুনর্বাসনের দাবিতে আজীবন সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন । হিন্দুদের পুনর্বাসনের দাবিতে অনড় থেকে ১৯৫০ সালে জও হরলাল নেহেরুর মন্ত্রী সভা থেকে পদত্যাগ করে । শ্যামাপ্রসাদের আশঙ্কা ছিল দেশে সংখ্যা গরিষ্ঠ হিন্দুদের জীবন ও সম্পত্তি নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে । এই আশঙ্কা এসেছিল তার এদেশের হিন্দু জনগোষ্ঠী র প্রতি মুসলিম লীগের ঘৃণা র মনোভাব প্রত্যক্ষ করেন । এই আশঙ্কা বাবা সাহেব আম্বেদক রের ছিল । এই আশঙ্কা থেকেই শ্যামাপ্রসাদ দাবি তুলেছিলেন দেশ ভাগের সাথে সংখ্যা লঘু বিনিময় করা হোক । বলে ছিলেন সংখ্যা লঘু বিনিময় হলে সাম্প্রদায়িক হাঙ্গামা কমবে । সেদিন মহাত্মা গান্ধী আর জও হরলাল নেহেরু সেদিন রাজি হননি । স্বাধীনতার সময় ভারত শর্ত হিসাবে দুই দেশের ধর্মীয় সংখ্যা লঘু দের জীবন ও সম্পত্তির নিরাপত্তা দেওয়া হবে ও তাদের প্রতি সমান আচরণ করা হবে । এখানে পাকিস্থানের ব্যবহার বিপরীত । স্বাধীনতার পরে পাকিস্থানে হিন্দু দের উপর নির্যাতন নেমে আসে । পাকিস্থান এ বিষয়ে আন্তরিক নন ।
এবিষয়ে একটি স্মারকলিপি তৎকালীন পাকিস্থানের প্রধান মন্ত্রী লিয়া কত আলিকে দিয়েছিলেন তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্থানের আইন সভার বিরোধী দলের নেতৃবৃন্দ বসন্ত কুমার দাস ,গ নেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য মনোরঞ্জন ধর মুনিন্দ্রচন্দ্র ভট্টাচার্য প্রভৃতি । ১৯৫০ সালে পাকিস্থান রেডিও থেকে পরি কল্পিত ভাবে প্রচার করা হল পশ্চিম বঙ্গে আর ভারতে মুসলমান দের উপর অত্যাচার করা হচ্ছে । এই ঘটনার পর ঢাকায় শুরু হয় হিন্দু বাড়িতে অগ্নি সংযোগ , লুটপাট । হিন্দু মহিলাদের অবাধে ধর্ষণ ,দেশের বিভিন্ন হিন্দু নিধনের মহাযজ্ঞ । এই ভয়াবহ হিন্দু নিধনের প্রতিবাদে যিনি পাকিস্থানের দাবি কে সমর্থন তপশীল নেতা যোগেন্দ্র মণ্ডল যার প্রধান শ্লোগান দলিত মুসলিম ঐ ক্য তত্ত্ব এনে পাকিস্থানের মন্ত্রী হয়েছিলেন । তিনি পাকিস্থান মন্ত্রী সভা থেকে পদত্যাগ যে চিঠি লিখেছিলেন পাকিস্থানে হিন্দুদের সবদিক থেকে বঞ্চিত ক্রে তাদের রাষ্ট্র হীন নাগরিকে পরিণত করা হয়েছে ।
Wednesday, December 9, 2015
Tuesday, December 8, 2015
নরেন্দ্র মোদীর চিন্তা ভাবনা
আমার দেশের প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী MAKE IN INDIA কে DIGITAL INDIA তে পরিণত করতে চলেছেন রাজ পরিবার তাকে নিতে পারছেনা । তাই চক্রান্তে লিপ্ত , অস হিস্নু , ইস্যু করে আমাদের প্রধান মন্ত্রী কে বাধা দেবার চেষ্টা করে যাচ্ছে । সোনিয়া গান্ধী কে , বা রাহুল গান্ধী এদেশের উত্তরাধিকার বা পরম্পরা ঐ তিহ্য সম্পর্কে অভিহিত নন । ভারতীয় জনতার দীর্ঘ কামনার ফসল নরেন্দ্র মোদী ।
হিন্দু মনের সম্রাট
ক্ষমতা বৃত্ত থেকে সরে জেতে চিৎকার শুরু করেছ ।
রাজ রানী ও রাজপুত্র ।
হিন্দু মনের সম্রাট
ক্ষমতা বৃত্ত থেকে সরে জেতে চিৎকার শুরু করেছ ।
রাজ রানী ও রাজপুত্র ।
Monday, November 23, 2015
লালু ও কেজ্রিয়াল
লালু আমাকে টেনে গলায় জড়িয়ে ধরে । কেজ্রিয়াল
রাম মন্দির নির্মাণ অশোক সিঙ্ঘলের প্রতি সত্যি কারের শ্রদ্ধা । মোহন ভাগবত
রাম মন্দির নির্মাণ অশোক সিঙ্ঘলের প্রতি সত্যি কারের শ্রদ্ধা । মোহন ভাগবত
Thursday, November 19, 2015
আজকের তাজা সংবাদ
১৯/১১/২০১৫
<<>>
আবার জেলে মদন মিত্র ,জামিন খারিজ ।
মদনের জন্যে আলিপুর সেন্ট্রাল বিশেষ ব্যবস্থা , বন্দী দের বিক্ষোভ , প্রভাবশালী ত ত্বে সিলমোহর । বন্দীরা জেল সুপার কে ঘিরে বিক্ষোভ প্রদর্শন । বেল নয় জেল ।
সারদা কাণ্ড একটি সামাজিক অপরাধ সেই অপরাধের অপরাধী । আজই শেষ হবে আত্মসমর্পণ প্রক্রিয়া ।
মদন মিত্রের বিশেষ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আলিপুর জেলে বন্দীদের বিক্ষোভ ।
<<>>
আবার জেলে মদন মিত্র ,জামিন খারিজ ।
মদনের জন্যে আলিপুর সেন্ট্রাল বিশেষ ব্যবস্থা , বন্দী দের বিক্ষোভ , প্রভাবশালী ত ত্বে সিলমোহর । বন্দীরা জেল সুপার কে ঘিরে বিক্ষোভ প্রদর্শন । বেল নয় জেল ।
সারদা কাণ্ড একটি সামাজিক অপরাধ সেই অপরাধের অপরাধী । আজই শেষ হবে আত্মসমর্পণ প্রক্রিয়া ।
মদন মিত্রের বিশেষ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আলিপুর জেলে বন্দীদের বিক্ষোভ ।
Saturday, November 14, 2015
Monday, November 9, 2015
বিহারে লালু নিতিশ কং গ্রেস রাজ
বিহারে যারা লালু নিতিশ সরকার নিয়ে যারা উল্লাসিত তাদের স্মরণে করিয়ে দিতে চায় , জরুরী অবস্থা বিরুধে বিহারের নেতা জয় প্রকাশ এর হাত ধরে সারা দেশে ছড়িয়ে ছিল । স্বৈর চারি শাসনে অবসান করে গঠিত হয়ে ছিল জনতা পার্টী র সরকার । জনতা পরিবার সেদিন গড়ে উঠেছিল । সেই আন্দোলন থেকে বেড়িয়ে এসেছিল লালু, নিতিশ, সুশীল কুমার রা । কিন্তু সেদিনের জনতা পার্টির স্রকার টেঁকে নি । পরিবার তন্ত্র তানাশাহি শাসনের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা এই দল টুকরো হয়ে সংঘ পরিবার কেন্দ্র করে ভেঙে গড়ে বিভিন্ন রকমের জনতা দল । সেদিনের ইতিহাস এ না গিয়ে । ৯০ সালে বিহারে জনতা দল সরকার গড়বে ,মুখ্যমন্ত্রী পদে প্রাথি লালু প্রসাদ । বিশ্বনাথ প্রতাপ সিং এর নির্দেশে রাম সুন্দর দাস মুখ্যমন্ত্রী পদে প্রাথি । লালু হার নিশ্চিত । সেদিন শেষ মুহূর্তে নিতিশের সমর্থন লালু কে বাচিয়ে ছিল । শেষ হাসি লালু হেসে ছিলেন ।
২৫ বছ্র প্র লালু ছোটে ভাই কে বড়ে ভাই হিসবে পাটলিপুত্র মসনদে বসালেন । মুসলিম যাদব সমীকরণে জিতলেন লালুজি । নিতিশ কুমার মুখ্যমন্ত্রী হ্লেন । মণ্ডল রাজনীতির কারিগর লালু জানেন এই ফ্ল যতটা নিতিশের জয় বলা হচ্ছে তা নয় । এটা হচ্ছে লালুর ক্যাম বাক ।
পাটিগণিতের হিসাব তাই বলে ।৮০/৭১ এর অংক বড় কঠিন । নিতিশ জানেন লালু তার ঘাড়ে নিঃ শ্বাস ছাড়বে ।
বি জে পি তার নিজের ভোট ব্যাঙ্ক বজায় রাখতে পেরেছে ।ছেলে ও মেয়ে দিয়ে এই রিমোট কনট্রোল এর দ্বারা নিতিশ কুমার কে চালাবেন । তার দাদাগিরি এবার বাড়বে । এই দাদাগিরি জন্যে তাকে জনতা পার্টি ভেঙে সমতা পার্টি গড়ে ছিলেন । বড়ে ভাই ছোটে ভাই খেলা দেখবে এবার বিহার । বিহার উন্নয়ন এর পথ ছেড়ে জাতপাতের পথ বেছে নিয়েছে বিহার । আগামী ভারতের ইতিহাস বলবে কে ঠিক? কে নায়ক ?
২৫ বছ্র প্র লালু ছোটে ভাই কে বড়ে ভাই হিসবে পাটলিপুত্র মসনদে বসালেন । মুসলিম যাদব সমীকরণে জিতলেন লালুজি । নিতিশ কুমার মুখ্যমন্ত্রী হ্লেন । মণ্ডল রাজনীতির কারিগর লালু জানেন এই ফ্ল যতটা নিতিশের জয় বলা হচ্ছে তা নয় । এটা হচ্ছে লালুর ক্যাম বাক ।
পাটিগণিতের হিসাব তাই বলে ।৮০/৭১ এর অংক বড় কঠিন । নিতিশ জানেন লালু তার ঘাড়ে নিঃ শ্বাস ছাড়বে ।
বি জে পি তার নিজের ভোট ব্যাঙ্ক বজায় রাখতে পেরেছে ।ছেলে ও মেয়ে দিয়ে এই রিমোট কনট্রোল এর দ্বারা নিতিশ কুমার কে চালাবেন । তার দাদাগিরি এবার বাড়বে । এই দাদাগিরি জন্যে তাকে জনতা পার্টি ভেঙে সমতা পার্টি গড়ে ছিলেন । বড়ে ভাই ছোটে ভাই খেলা দেখবে এবার বিহার । বিহার উন্নয়ন এর পথ ছেড়ে জাতপাতের পথ বেছে নিয়েছে বিহার । আগামী ভারতের ইতিহাস বলবে কে ঠিক? কে নায়ক ?
Subscribe to:
Comments (Atom)


